নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা

নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

মূল কখনো নস্ট হয় না। শাখা প্রশাখা নষ্ট হতে পারে। তাই আসল বা নির্জাস পেতে হলে মূলের সাথেই লেগে থাকা। আর এটাই আপনাকে শেষ পর্যন্ত সহি গন্তব্যে নিয়ে যাবে। যদিও অনেক কষ্ট মুজাহাদা করতে হবে এতে। যে বা যারাই শেষ পর্যন্ত মূলের সাথে লেগে থাকবে তাদের জন্যই রয়েছে হেদায়েত, সম্মান,ইজ্জত…..নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

বর্তমান তবলীগের এই সংকট ময় মূহুর্তের প্রথম দিকে এক ওয়াসিফুল ইসলাম ভাই, যিনি শত বাধা বিপত্তি আসা সত্তেও এস্তেকামতের সাথে নিজামুদ্দীনের সাথে জুরেছিলেন। সোস্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সব জায়গাতেই তাকে নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে। কি এমন করা হয়নি তার বিরুদ্ধে…মিটিং, মিছিল, পোস্টারিং, গীবত, শেকায়েত…… এত কিছুর পরও শুধু এক নিজামুদ্দীন মার্কাজ মূলের সাথে মিলে থাকার কারনেই, আজ ওয়াসিফুল ভাই এর সম্মান অনেক বেড়ে গেসে। বাংলাদেশ তথা সারা পৃথীবির তবলীগ ওয়ালা ভায়েরা বাংলাদেশের তবলীগের মুরুব্বী হিসেবে ওয়াসিফুল ভাইকেই চিনে থাকে এখন….নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

অপরদিকে এক সময় বাংলাদেশের তবলিগের মুরুব্বী হিসেবে এক নামে চিনত, যেখানেই জামাত নিয়ে গেসেন, কাড়াকাড়ি লেগে গেসে ঊনার জামাতকে নিজেদের মসজিদে নেওয়ার জন্য। মাস্তুরাত সহ জামাত নিয়ে গেলে সকল ঘর ওয়ালারা তৈরী হয়ে যেত, জামাত নেওয়ার জন্য। যারা বেশী জামাতের আজাইম দিত তারাই তার জামাত পেত…..এমন সম্মান ছিল সকল তবলীগ ওয়ালা থেকে শুরু করে সকল সাধারন সাথীদের দীলের মাঝে…..নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

তিনি আর কেউ নন, আমাদের সকলের পরিচিত হাফেজ জুবায়ের সাহেব(দাবা)। আর সেই তিনিই যখন মূল নিজামুদ্দীনকে ছেড়ে বের হয়ে গেলেন, তখন সাথীদের দীল থেকেও উনি বের হয়ে গেলেন….কোথায় আজ সেই সম্মান,ইজ্জত…..নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

আল্লাহ যাকে পছন্দ করেন, তখন ফেরেস্তাদের মাধ্যমে সকল মাখলুকের দীলে পছন্দ করনে ওয়ালা ব্যক্তির মহব্বত ঢেলে দেন। যে কারনে সকলেই তাকে মহব্বত করা শুরু করেন….নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী।

নিজামুদ্দীনের সাথে থাকা কত জরুরী। তাই আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে নিজামুদ্দীনের সাথে লেগে থাকার তৌফিক দেন। আমিন।